তৃষ্ণা
আচমকা ঘুম ভেঙে গেলো রফিক সাহেবের। জোরে জোরে নিশ্বাস ফেলতেছিলো। এর আগে স্বপ্নে কি দেখেছিলো তা ঠিক একটা মনে করতে পারছেন না। তবে কে যেন গলা টিপে ধরছিলো এইটা চোখের সামনে ভেসে আসছে।
সপ্নের জাল
প্রায় ৪ বছর পর নিলয় নিজের গ্রামে পা রাখল। উচ্চ শিক্ষা গ্রহনের জন্য তাকে নিজের জন্মভূমি ত্যাগ করতে হইছে। এতদিন পর নিজের গ্রামে এসে নিলয়ের মন ভরে গেল। গ্রামের মেঠো পথ দিয়ে হাটছে আর চারদিকে তাকিয়ে নিজের গ্রামের দৃশ্য দেখছে। পিছন দিক থেকে একটা ভ্যান চালক এসে নিলয়কে
আলতো স্পর্শ
বর্তমান: গোধুলি সন্ধ্যা, পশ্চিম আকাশে সূর্যটা ডুবো ডুবো অবস্থায় ভাসছে। তার চারদিকে মেঘগুলো লাল আভা সেজে বসে আছে। নদীর জল মনে হয় সূর্যের আলতো আলো পেয়ে সোনালি রং সেজে খেলা করছে। চারদিকে পাখিদের আনাগোনা। অনেক দূর থেকে ভেসে আসছে খেঁকশিয়াল এর ডাক। মাথার উপর উড়ে বেড়াচ্ছে গাঙ্গচিল। মাঝে মাঝে নদীর বুকে ঠোকর দিচ্ছে।
সোহাগী
নির্জন জঙ্গল, চারদিকে কোন মানুষ নেই, চাঁদনি রাত, তবে গাছপালার কারনে হালকা আধারের মত লাগছে। শরীরটা প্রচন্ড ব্যাথা করছে। বা পায়ের গোড়ালি মাটির সাথে ভর দিতে পারছি না। কপালের এক কোনা থেকে রক্ত বেয়ে পরছে। আমার শারীরিক শক্তি বলতে গেলে নেই, নিজেকে সামনের দিকে নিয়ে যেতে পারছি না। ইচ্ছে করে এখানেই শুয়ে পরি। তবে মানসিক শক্তি দিয়ে নিজেকে ফিরে যেতে হবে।